নিউজ ডেস্ক | ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যেই সংবিধান সংস্কার ও অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জুলাই সনদের আলোকে প্রস্তাবিত সংবিধান সংস্কারের বিরুদ্ধে জাপা অবস্থান নেবে এবং জনগণকে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি, ২০২৬) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে জাপার প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, "আমরা সংবিধান সংস্কারের বিপক্ষে ‘না’ ভোট দেব। আইনের শাসনের স্বার্থে আমি দেশবাসীকেও ‘না’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।" তাঁর দাবি, সংস্কারের নামে প্রধানমন্ত্রীর হাত-পা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করে দেবে। তাঁর মতে, গণভোট নয়, কেবলমাত্র একটি নির্বাচিত সংসদই সংবিধান পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
সংবাদ সম্মেলনে জাপার মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, ৩০০ আসনের মধ্যে ১৯৬টি আসনে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তীব্র বিরোধিতার মুখেও জাপা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এই বড় সিদ্ধান্ত নিল।
সরকারের তীব্র সমালোচনা করে জি এম কাদের বলেন:
অন্তর্বর্তী সরকার মামলার নামে জনগণের ওপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে এবং মব জাস্টিসের মাধ্যমে পিটিয়ে মারা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট বলা হলেও বর্তমান সরকারের কিছু অংশ দেশে ‘নাৎসিজম’ কায়েম করার চেষ্টা করছে।
নিজেকে সংসদীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি দাবি করে জি এম কাদের বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, "একতাবদ্ধ না হলে আপনারাও ধ্বংস হয়ে যাবেন। হিটলারকে ঠেকাতে হবে।" তিনি মনে করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতায় পড়বে।
৫ আগস্টের পর ড. ইউনূসের সরকারকে সমর্থন জানালেও ছাত্র নেতৃত্বের আপত্তির কারণে জাপা রাজনৈতিক সংলাপ থেকে ছিটকে পড়ে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনবার ‘গৃহপালিত’ বিরোধী দল হওয়ার তকমা দলটিকে এখনো তাড়া করে ফিরছে। সেই বিতর্ক মাথায় নিয়েই জাপা এখন সরকারের প্রধান সমালোচকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |